মৎস্যচাষীদের জন্য জরুরী বার্তা প্রচণ্ড গরমে নার্সারি পুকুরের (যেহেতু নার্সারি পুকুরে পানির গভীরতা কম থাকে) পানির তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় করণীয়: ১। নার্সারি পুকুরে পানি কিছুটা বাড়ানো যেতে পারে ২। দুপুর ১২:০০ টা হতে বিকাল ৪:০০ টা পর্যন্ত পাম্প চালালে পানির উপরিভাগের তাপমাত্রা কিছুটা হলেও কমবে। ৩। নার্সারি পুকুরে দিনের বেলায় যখন পানির তাপমাত্রা কম থাকে তখন খাবার প্রয়োগ করতে হবে যেন রেণু/ছোট ধানী থার্মাল শক না পায়। ৪। পুকুরের একটি অংশে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় জলজ আগাছা রাখতে হবে যেন পুকুরের একটি অংশে তাপমাত্রা কম থাকে। ৫। নার্সারি পুকুরের পানি যেন কোন অবস্থাতেই অতিরিক্ত স্বচ্ছ না হয় তাহলে নিচের পানিও দ্রুত গরম হবে, এজন্য সবচেয়ে ভালো হয় পুকুরে হালকা পরিমানে যদি প্রাকৃতিক খাবারের উপস্থিতি থাকে। ৬। পানির শাওয়ার দিলে তাপমাত্রা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রিত থাকবে। ৭। পুকুরে টিএসপি এবং ইউরিয়া সার পরিমিত মাত্রায় প্রয়োজন অনুযায়ী মৎস্য কর্মকর্তা পরামর্শে প্রয়োগ করা যেতে পারে। ৮। মনে রাখতে হবে পানির তাপমাত্রার সাথে পানির পিএইচ, দ্রবীভূত অক্সিজেন এবং অ্যামোনিয়ার পরিবর্তনের সম্পর্ক রয়েছে এজন্য সর্তকতার সাথে ব্যবস্থা নিতে হবে। ৯। পরিবেশের তাপমাত্রা এবং পানির তাপমাত্রা সবসময় এক হয় না, পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি হওয়ার কারণে পানি যেমন ধীরে ধীরে গরম হয় ঠিক তেমনি পানি ধীরে ধীরে ঠাণ্ডাও হয়। উল্লেখ্য মাছ চাষের জন্য পানির আদর্শ তাপমাত্রা হওয়া উচিৎ ২৫-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১০। অতিরিক্ত গরমে গভীর/ভোর রাত্রে পুকুরে মাছের অক্সিজেন ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, এবিষয়টি পূর্বেই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ। সর্বোপরি অতিরিক্ত গরমে মাছের জন্য আশ্রয়স্থল করে দেওয়া ভালো।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস